রাগারাগি দেখে রুপ তার কেবেনের দিকে গেল। লোকটা বাধ্য হয়েই বেরিয়ে যাচ্ছিল তখনি রুপ দৌড়ে গিয়ে লোকটির দিকে হাত বাড়িয়ে হ্যালো স্যার আমি রুপ…. স্যারের পার্সনাল এসিস্ট্যান্ট। আপনি মনে হয় আমাকে খুঁজচ্ছেন। লোকটিঃ ইয়েস মিস রুপ আমি আপনার সাথেই দেখা করতে এসেছিলাম। রুপঃ প্লিজ বসুন… এলিজাঃ কি হচ্ছে এসব রুপ…?? উনাকে আমি বেরিয়ে যেতে বলেছি উনি এখন বাইরে যাবে কেবিনে নয়। রুপঃ না উনি এখন এই কেবিনে বসবেন আর আপনি বাইরে যাবেন বলেই রুপ এলিজাকে তার নিজের কেবিন থেকে বের করে দিতে চাইল।

এলিজাঃ তোর এত বড় সাহস সবার সামনে আমায় অপমান করিস বলেই একটা থাপ্পড় বসিয়ে দিল রুপের গালে। সাথে সাথে রুপও এলিজাকে একটা থাপ্পড় দিয়ে বের করে দিয়ে দরজা লক করে দিল। এলিজা চেচিয়ে বলে উঠল এর ফল ভাল হবে না রুপ আজ আমি তোকে অফিস থেকে বিদায় করে ছাড়ব। রুপ দরজা বন্ধ করে অনেক্ষন কথা বলার পর দরজা খুলল আর লোকটিও হাসি মুখে ফিরে গেল। কিন্তু রুপের এই ব্যবহারটা সবার কাছেই দৃষ্টিকটু লেগেছে কারন এলিজা রুমের ভিতরে চড় মেরেছে সেটা কেউ দেখেনি কিন্তু রুপ সবার সামনে এলিজাকে রীতিমতো ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছে তারউপর দরজাও লক করে দিয়েছিল।

রুপ এলিজাকে অপমান করেছে এ নিয়ে অর্নবের মাথা ব্যাথা নেই কিন্তু দরজা লাগিয়ে কোন ছেলের সাথে রুপ কথা বলছিল এটা অর্নবের হজম হয় নি। তাই তীব্র রাগ নিয়ে রুপের সামনে এসে দাঁড়াল। অর্নবঃ নষ্টামি করার জায়গা এটা নয়। সবার সামনে দরজা লাগিয়ে ফষ্টিনষ্টি করতে লজ্জা করে না?নিজের স্বামীকে খুশি করতে পারোনা কিন্তু অন্যদের সাথে ঠিকি পারো তাই না…!একটা কথা কান খুলে শুনে নাও অফিস টা তোমার বাবার নয় এখানে এসব চলবে না। তোমার মত ২ টাকার মেয়ের আমার পিএ এর সাথে এমন ব্যবহার করার সাহস হয় কি করে ?কি যোগ্যতা আছে তোমার?

রুপঃ চুপ একদম চুপ এতদিন আপনারা অনেক বলেছেন আমি শুনেছি আর না আজ আমি বলব আপনারা ২ জন শুনবেন… আচ্ছা স্যার আপনি কতদিন থেকে অফিসে আসছেন?যে প্রতিদিন আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন। খুব বেশি হলে ৬ মাস… কিন্তু আপনি কি জানেন আমি দীর্ঘ ৬ বছর ধরে এখানে কাজ করছি এই অফিসের প্রতিটা ইট আমার পরিচিত। এটা ঠিক আমি আপনাদের মত এত শিক্ষিত নয় কিন্তু আপনারা যখন বিদেশে উচ্চ শিক্ষা নিচ্ছিলেন তখন আমি আংকেলের পাশে দাঁড়িয়ে অফিসের প্রতিটা ইট বুনতে দেখেছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here