আল কথাটা শোনে থমকে গেছে। তাহলে এতিহা সত্যিই ডির্ভোস চাই মনে মনে ভাবতেছে। আল:- দেখি কাগজ গুলি। আল কাগজ গুলি হাতে নিয়ে পড়তে আরম্ভ করছে। ডির্ভোসের কাগজে সব দোষ আলের নামে উল্লেখ করা হইছে। আল রাতে দেরী করে বাড়িতে আসে। মদ খেয়ে বাড়িতে এসে প্রতি রাতে এতিহাকে অত্যাচার করে। অন্য মেয়েদের নিয়ে মাঝে মধ্যে বাড়িতে এসে অবৈধ কর্মকান্ড করে। এত কিছু সহ্য করতে না পেরে আমি এতিহা ইসলাম ডির্ভোস দিতে বাধ্য হলাম।

এমন ভাবে আরো অনেক কিছু লিখা আছে সাথে এতিহার সাক্ষরটা দেওয়া তবে আমার মন কেনো জানি বলছে এখানে অনেক বড় কোনো মিথ্যা লুকিয়ে আছ। তখনি আম্মা বলে। আম্মা:- কিরে এখনো বসে থাকবি সাইনটা করে দিয়ে দে আমার আবার কাগজ গুলি পাঠাতে হবে। আল:- আচ্চা কাগজ গুলি থাকুক আমার কাছে আমি পাঠিয়ে দিবো। আম্মা:- থাক তোর আর কষ্ট করতে হবে না আমার কাছে দে আমি পাঠিয়ে দিবো। আল:- বলছি তো পড়ে সাইন করে পাঠিয়ে দিবো।

আল আর কিছু বলেনি সোজা কাগজ গুলি নিয়ে হেটে চলে আসছে রুমে। রুমের দরজাটা বন্ধ করে এতিহার নাম্বারে ফোন করছে কিন্তু বার বার ফোন বন্ধ বলছে। সারা রাত ট্রাই করে খোলা পায়নি। তবে আল এতিহার বাড়িটা পর্যন্ত চিনেনা চিনবে কি করে এতিহার বাড়িতে তো আল কখনো যায়নি। আল নিজেকে অনেক মনে মনেনে বকা দিলো। সকালে নামাজ পড়ে সোজা এতিহার কলেজের সামনে গিয়ে এতিহার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো কিন্তু এতিহা আজকেও কলেজে আসেনি। আল চিন্তা করতে লাগলো এতিহা কোথায় গেছে। হঠাত করে ঐ রাসেলের সাথে দেখা।

আল দৌরে গিয়ে রাসেলের সাথে কথা বলে। হাই আমি আল ইসলাম আপনার নাম রাসেল তাইনা? রাসেল:- হ্যা কিন্তু আমি তো আপনাকে চিনতে পারিনি। আল:- চিনতে পারবেন কি করে আমার সাথে আপনার দেখা হইছে কখনো? রাসেল:- কথা না ঘুরিয়ে বলেন কি বলতে চান। আল:- এতিহার বাড়িটা কোথায়? তখন রাসেল আমার দিকে তাকিয়ে আছে আর বলে। রাসেল:- কেনো কি করবেন ওর বাড়ির ঠিকানা দিয়ে। আল:- প্লিজ দেন আমার খুব দরকার আছে। তখনি রাসেলকে আল সবকিছু বলছে রাসেল সবকিছু শোনে বলে। রাসেল:- ওরা তো গতকাল অস্ট্রেলিয়া চলে গেছে আর এতিহাদের বাড়িটা বিক্রি করে দিছে। শোনেছি ঐখানে একটা ছেলের সাথে এতিহার বিয়ে হবে। কিন্তু এতিহার সাথে সত্যিই আপনার বিয়ে হইছে? আল:- হ্যা হইছে আল ভেঙ্গে পড়ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here